অনুভূতির ব্রাজিল আর্জেন্টিনা – খালেদ মহিউদ্দিন

ফেসবুক থেকে নেয়া:

আশৈশব আমরা মানে ভাই বন্ধু আমরা সকলে অন্তত বেশিরভাগ লাতিন ফুটবলের সমর্থক।

১৯৮২ সালে সরাসরি প্রথম বিশ্বকাপ দেখি। তখন থেকে জানতে পারি ধনী ইউরোপ টাকা দিয়ে কিনে নেয় বিশ্বের সব প্রতিভা আর সুযোগ সুবিধা।

ওই মহা শক্তিশালীদের বিরুদ্ধে গলি বা বস্তি থেকে উঠে আসা পেলে আর ম্যারাডোনা ছিল তামাম গরিব দুনিয়ার পক্ষে আমাদের জবাব।

আবার কেউ কেউ টোটাল বা পাওয়ার ফুটবল, পরিচ্ছন্ন আর স্ট্র্যাটেজিক খেলা ভালোবাসেন বলে ভক্ত হন ইউরোপের ফুটবলের।

১৯৯৪-৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশ কি করে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনায় ভাগ হল আমি জানি না। ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার সঙ্গে আমাদের কী?

বড় কোনো টুর্নামেন্ট হলে প্রতিবারই এই বিস্ময় জাগে আমার আর বিচিত্র সব কথা শুনি।

সাপোর্ট না করলে নাকি খেলা দেখে মজা পাওয়া যায় না। তা সাপোর্ট করেন না শত খুশি। কিন্তু ব্রাজিলের জেতা মানে আমার জিতা বা আর্জেন্টিনার হেরে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার আমরা পাইলাম কেমনে?

ইদানীং তো দেখি ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা একটি অনুভূতির নাম। এমনিতেই ধর্ম, জাতীয়তা, ভাষা, বংশ, উচ্চতা, হাতের রং, শিক্ষা-বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, সাকিব, ফোক না আরবান এরকম হাজার অনুভূতি আছে আমাদের।

আরেক মানুষরে আঘাত করতে আর অনুভূতি বাড়াইয়েন না। গর্বের কোন জিনিসে আপনার অবদান বা অংশগ্রহণ আছে খুঁইজা বার করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *