ভারতে মুসলমানদের মসজিদ ও বাড়িঘর হামলা নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

ভারতের নয়াদিল্লি মুসলমানদের উপর নির্মম হামলা এবং মুসলমানদের উপর অত্যাচার মুসলমানদের ধর্মীয় মসজিদের পাশাপাশি বাড়িঘর দোকানপাট আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী দল এবং তারা মসজিদের মিনারের উপরে উঠে মিনার ভাঙার চেষ্টা এবং মসজিদের মিনারে ভারতীয় পতাকা সহকারে তাদের মূর্তি হনুমানের পতাকা উড়িয়েছেন এবং মসজিদের মিনারের যাবতীয় জিনিস ভাঙচুর করার পাশাপাশি মসজিদে আগুন দিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে তারা মসজিদে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন তাদের এই অত্যাচারের ও নির্যাতনের কারণে এখন পর্যন্ত ২০ জনের মতো প্রাণ হারিয়েছে এবং ২৫০ জনের মতো হাসপাতলে ভর্তি আছে ।

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি বৈঠকে বসেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, উপ রাজ্যপাল অনিল বৈজল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভারতের পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং মুসলমানদের নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী দল এবার ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা দিল্লি সরকার ভারতের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ।

দিল্লির এই সমস্যা সমাধানেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য দিল্লির আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও পুলিশ সহকারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বৈঠক করেছেন দিল্লির কর্মকর্তারা এবং মাঝরাতে উত্তরপ্রদেশে ঘুরে দেখেন কর্মকর্তারা এবং দিল্লির উত্তরপ্রদেশের দেপুটি কমিশনের সাথে বৈঠক করেন পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন ।

শুরুতেই মোদি সরকার হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের সাপোর্ট করে যাচ্ছেন এবং মোদি সরকারের তত্ত্বাবধানে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা মুসলমানদের অত্যাচার করে যাচ্ছেন এবং মুসলমানদের ধর্মীয় রীতিনীতি এবং ধর্মীয় গ্রন্থের উপর আঘাত এনেছে তারা মুসলমানদের বাড়িঘর দোকানপাট ও ধর্মীয় স্থান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী মুসলমানদের উপর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন ।

দিল্লি পুলিশ এবং সরকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইতিমধ্যে দাবি করেছেন দিল্লির পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে কোন প্রকার সহিংসতা ও সংঘর্ষের ঘটনা নেই পরিস্থিতি খুবই স্বাভাবিক তাছাড়া পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক সেনা মোতায়েনের কোনো সম্ভাবনা নেই সেনা মোতায়েনের বিষয়টি তারা খারিজ করে দেয় বুধবার সকালে খুলে দেওয়া হয়েছে সমস্ত স্টেশন গুলি কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করে পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় ভারতের পরিস্থিতি খুবই ভয়ঙ্কর ভারতের হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী দল মুসলমানদের ধর্মীয় মসজিদ ও বাড়িঘর আগুন দিয়ে ফুরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি মুসলমানদের বিভিন্ন রকম অত্যাচার করে যাচ্ছেন ।

হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের প্রথম টার্গেট ছিল মুসলমানদের উপর এবং মুসলমানদের চরমভাবে ক্ষতি করা তাদের মূল টার্গেট ছিল মুসলমান এবং খবর সংগ্রহ করার জন্য আসা সাংবাদিকদের ওপর তারা নির্মমভাবে অত্যাচার করে অনেক সাংবাদিকদের মারধর করে ও গুলিবিদ্ধ করে এবং সাংবাদিকদের ধর্মীয় পরিচয় জানার জন্য প্যান্ট খুলে তাদের ধর্ম যাচাই-বাছাই করা হয়েছে ।

মুসলমানদের এই অত্যাচারের প্রতিবাদে অত্যাচারের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেছেন জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তনদের একটি অংশ তবে এই পরিস্থিতি সেনা নামানো হবে না, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের খবর দেশের রাজনীতিতে সেনা নামালে বিশ্বের কাছে খারাপ বার্তা যাওয়ার আশঙ্কা করেই এই সিদ্ধান্ত তার ওপর মার্কিন রাষ্ট্রপতি দিল্লিতে থাকায় তার সঙ্গে রয়েছে প্রচুর বিদেশি গণমাধ্যম তাই আরো একটু ধৈর্য নিয়ে চলতে চাইছি মন্ত্রণালয় বলেছেন অমিত সাহার মন্ত্রণালয় ।

শুরুতেই এই সংঘর্ষ কে সমর্থন দিয়ে আসছেন হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসের মূল নায়ক নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ তাদের উৎসাহ পেয়ে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা মুসলমানদের উপর নির্মম ভাবে অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন ।

আল্লাহ বিশ্বের সকল নির্যাতিত মুসলমানদের হেফাজত করুক এবং অত্যাচার জুলুমকারী দের থেকে মুসলমানদের কে বাঁচিয়ে রাখুক অত্যাচারীদের কে ধ্বংস করুক আল্লাহ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *