মেহেদী হাসান রিপন,স্টাফ রিপোর্টারঃ
রাজনীতি মানেই কি কেবল মঞ্চে দাঁড়িয়ে একে অপরের ছিদ্রান্বেষণ? না, রাজনীতির লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ। যশোরের শিশু আফিয়ার পরিবারের কাছে একটি ঘর হস্তান্তরের মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজনীতির এই ‘মানবিক রূপ’ তুলে ধরেছেন।সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, দোষারোপের সস্তা রাজনীতি দিয়ে মানুষের পেট ভরে না। বিএনপি সেই সংস্কৃতি ভেঙে মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার নতুন রাজনীতির সূচনা করছে।

তারেক রহমান কেবল বর্তমান কর্মকাণ্ডেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কী করবে তার একটি রূপরেখা পেশ করেছেন। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে তিনটি বড় পরিকল্পনার কথা:দেশের সুবিধাবঞ্চিত প্রতিটি পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে।শহর ও গ্রামের ব্যবধান ঘোচাতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে।কৃষকদের ন্যায্য অধিকার ও সরাসরি সহায়তা নিশ্চিতে বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ‘খাল খনন’ প্রকল্পের প্রত্যাবর্তন
সীমান্তের ওপার থেকে আসা ঢল এবং অতিবৃষ্টির হাত থেকে ফসল ও জনপদ বাঁচাতে শহীদ জিয়ার ঐতিহাসিক ‘খাল খনন কর্মসূচি’ পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, “আমরা অতীতের ভালো কাজগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই।”বেগম জিয়ার শিক্ষা প্রসারের সুফল যেমন বর্তমান নারী সমাজ ভোগ করছে, তেমনি বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষিত নারীদের ‘আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী’ করতে সুনির্দিষ্ট মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে আয়োজিত এই মানবিক উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে শিশু আফিয়ার পরিবারের হাতে তারেক রহমানের উপহার হিসেবে পাঠানো ঘরের চাবি ও মালিকানা হস্তান্তর করেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও অনিন্দ্য ইসলামসহ অন্যান্যরা।