জবি প্রতিনিধি:
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক প্রতিনিধি না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়টি নানামুখী বৈষম্যের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সহ- সভাপতি (ভিপি) মো. রিয়াজুল ইসলাম।
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় মার্কেটিং বিভাগের কনফারেন্স রুমে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।
জকসু’র ভিপি বলেন, ইউজিসিতে বর্তমানে নির্দিষ্ট কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রভাব বিস্তার করছেন, যা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মতো কাজ করছে। এর ফলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত সুযোগ ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “অনেক বিষয় প্রকাশ্যে বলা সম্ভব নয়। তবে আমাদের প্রতিনিয়ত নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।”
এ সময় এসব সংকট নিরসনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
জকসুর সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন রিয়াজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “জকসুর জন্য কোনো নির্দিষ্ট অফিস না থাকায় নিয়মিত প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করা যাচ্ছে না।”
মতবিনিময় সভায় জকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা গত ২০ দিনে সম্পাদিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেন এবং সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন।
দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জকসু ভিপি জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন কাজের ডিপিপি নিয়ে ইউজিসিতে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আগেই ডিপিপিটি একনেকে অনুমোদনের লক্ষ্যে তারা চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক না হলেও হল নির্মাণের জন্য ভূমি ভরাটের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানা, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিলসহ অন্যান্য নির্বাচিত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
