ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অভয়ারণ্য’র উদ্যোগে চতুর্থবারের মতো ‘কুহেলিকা উৎসব’ আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী ) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন ‘অভয়ারণ্য’র উদ্যোগে বটতলায় তিন দিনব্যাপী এই উৎসব শুরু হয়।
নিমন্ত্রণ, কালোজিরা, মিঠাই, ইয়ান্তন খাইয়াযান, রুপকথার ঝুড়ি, কুয়াশা, দ্যা লিগ্যাল বাইট, fire in your buds, হযবরল, servants choice iu, ড্রিমক্যাফে,sanji’s cake canvas, চুড়ি ঘর, bite and bloom, lumos, কারুকাজ কর্নার, ফরিদপুরী ভেলপুরী, শখ- নন্দন, পেটুক ডটকম, ফাতেমা পিঠাঘর, সাজ ও স্বাদ, পৌষ পার্বন, একদাম ২০ টাকা দরদাম নাই আপা, স্বাদ রঞ্জিনী, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মিউজিক এসোসিয়েশন সহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২৫ টি স্টল স্থাপিত হয় উৎসবে। যেখানে বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য রূপ ফুটে উঠে।
উৎসবে ঘুরতে এসে একজন সাধারণ শিক্ষার্থী বলেন, “ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কুহেলিকা উৎসব উপলক্ষে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সকল শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেছে এবং আমাদের ক্লাসের গ্লানিবোধ কাটিয়ে একটি রিফ্রেশমেন্ট কাজ করছে উৎসবে এসে। অভয়ারণ্য অনেক ভালো একটি আয়োজন করেছে। ”
এ বিষয়ে অভয়ারণ্যে সভাপতি নাঈমুল ফারাবী বলেন, “ অভয়ারণ্য কর্তৃক টানা চতুর্থবারের মতো কুহেলিকা উৎসব আয়োজন করেছি। এই আয়োজনে অন্যতম উদ্দেশ্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্ত যারা আছেন তাদের একটি সুন্দর প্লাটফর্ম তৈরি করে দেওয়া যাতে তাঁরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নিজের সার্ভিস, নিজের যেই প্রতিষ্ঠান আছে সেটার প্রচারণা করতে পারে এবং সেটি প্রসারের একটি মাধ্যম হিসাবে আমাদেরকে ব্যবহার করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “ এছাড়া আমরা এই উৎসবের আমেজ ধরে রাখতে অনেক গুলো সেগমেন্ট এই উৎসবের সাথে যুক্ত করেছি। যার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ হিসাবে আছে চিঠি বাক্স। এছাড়া আমাদের বাঙালী সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য বায়স্কোপ এবং পুতুল নাচ প্রদশর্ন করে আসার নজির রয়েছে। কুহেলিকা উৎসবের কালচারাল সেগমেন্টের বিশেষ পার্ট হলো রঞ্জন। এই রঞ্জনের উদ্দেশ্য মৌলিক সংস্কৃতি চর্চা, যেখানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাথীদের নিজেদের লেখা এবং নিজেদের রচিত গান,কবিতা,নাটক পাঠ করা হয় আমাদের রঞ্জনের স্টেজে।”
