মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপ কর্মসূচির আওতায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবির)৫৪ জন শিক্ষার্থী ফেলোশিপ অর্জন করেছেন।খাদ্য ও কৃষিবিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং ভৌতবিজ্ঞান এ তিনটি ক্যাটাগরিতে তাদেরকে মনোনীত করা হয়।
ফেলোশিপপ্রাপ্তদের মধ্যে ফার্মেসি অনুষদ থেকে ২৩ জন,বিএমবি অনুষদ থেকে ১৩ জন,বিজিই অনুষদ থেকে ১০ জন,ইএসআরএম অনুষদ থেকে ৩ জন,আইসিটি অনুষদ থেকে ৩ জন,পরিসংখ্যান অনুষদ থেকে ১ জন,সিএসই অনুষদ থেকে ১ জন শিক্ষার্থী ফেলোশিপ পেয়েছেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞান গ্রুপে এমএস, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য এই ফেলোশিপ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে মোট ১,২৬৮ জন শিক্ষার্থী ও গবেষকের অনুকূলে এ ফেলোশিপ মঞ্জুর করা হয়েছে।
নোটিশ অনুযায়ী, এমএস পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত হারে ফেলোশিপ পাবেন। এছাড়া এমফিল পর্যায়ে প্রত্যেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং পিএইচডি পর্যায়ে প্রত্যেকে ৪৫ লাখ টাকা করে অনুদান পাবেন। ফেলোশিপ বাবদ মোট প্রায় ৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বিতরণের সরকারি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফেলোশিপের অর্থ পেতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও গবেষকদের অনলাইনে নির্ধারিত ফরমে বিল দাখিল করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল দাখিল সম্পন্ন না করলে অর্থ ছাড়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৭–৭৮ অর্থবছর থেকে গবেষণা কার্যক্রমে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে ভৌতবিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং খাদ্য ও কৃষিবিজ্ঞান এ তিন ক্যাটাগরিতে নিয়মিতভাবে এনএসটি ফেলোশিপ প্রদান করে আসছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের এমএস, এমফিল, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আবেদন যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।
শিক্ষা ও গবেষণায় এই অর্জন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ফেলোশিপ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আরও উৎসাহিত করবে।
