‎কুবি ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রের বাহিরে ছাত্রশিবির এবং ছাত্রশক্তির হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ক্যম্পেেইন‎


‎কুবি প্রতিনিধি :

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং জাতীয় ছাত্র শক্তি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

‎শনিবার (৩১জানুয়ারি) ক্যাম্পাস এলাকায় সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ব্যানার প্রদর্শনের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করেন সংগঠনদ্বয়ের নেতাকর্মীরা।

‎জাতীয় ছাত্রশক্তি কুবি শাখার কর্মী ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ১৭ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সৈয়দা নাজিফা নাফিল বলেন, “আজ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ‘বি’ এবং ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ছিল। আমরা জানি ১২ ফেব্রুয়ারী হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা অবশ্যই বলব যে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিবেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিবেন কারণ ক্ষমতার ভারসাম্য, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, সরকারি দল যাতে ইচ্ছামত সংবিধান সংশোধন করতে না পারে, একই ব্যক্তি দুইবারের বেশি যাতে প্রধানমন্ত্রী না থাকে। আমরা বিগত সময়ে দেখেছি যে একচেটিয়া ক্ষমতা ব্যবহার করে স্বৈরাচারী হওয়ার প্রবণতা আছে। তাই সবকিছু বিবেচনা করে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিবেন। কিন্তু গণভোটে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ দিবেন।”

‎এদিকে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন আবির বলেন, “জুলাই আন্দোলন পরবর্ত, বাংলাদেশে ছাত্র সমাজে একটি দাবি উঠে যে রাষ্ট্রের সংস্কার হবে। আর স্বাধীনতার চুয়ান্ন বছর পার হয়ে গেলও আমরা দেখেছি প্রতিবারই রাষ্ট্র ক্ষমতায় যে দলই আসে না কেন, সেই দল রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সংবিধান, পিএসসি, এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে তারা তাদের দলীয় প্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। তাই সেই সব দলীয় প্রভাব এবং সরকারের একক আধিপত্যকে দূর করার জন্য আমরা গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করছি।”

‎তিনি আরও বলেন, “আমরা দেখি প্রতিবারই রাষ্ট্রের যারা সরকার গঠন করে বিচার বিভাগ তাদের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করে। যদি গণভোটে হ্যাঁ বিজয় হয়, এই যে বিচার বিভাগের যে স্বাধীনতা আছে, সেই স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। সরকার এবং বিরোধী দলের ক্ষমতার যে ভারসাম্যটা দরকার, সে ভারসাম্য নিশ্চিত করার জন্য গণভোটে হ্যাঁ প্রয়োজন। আমরা চাই না জুলাইয়ের এত রক্ত এবং এত শহীদদের জীবনের বিনিময়ে নতুন করে গঠিত রাষ্ট্রে কোন স্বৈরাচার নতুন করে তৈরি না হোক। তো সেই সব বিষয় দূর করার জন্য মূলত আমরা গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *