মেহেদী হাসান রিপন,স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও যশোর সফরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক জোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে। প্রিয় নেতার আগমনী বার্তায় জেলাজুড়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে এখন উৎসবের আমেজ। এই ঐতিহাসিক জনসভাকে সফল করতে প্রস্তুতির মাঠ পর্যায়ে তদারকি শুরু করেছেন শীর্ষ নেতারা।আজ শুক্রবার সকালে জনসভার জন্য প্রস্তাবিত সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদীয় প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল ইসলাম সাবু।

পরিদর্শনকালে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং সৈয়দ সাবেরুল ইসলাম সাবু মাঠের ধারণক্ষমতা, মঞ্চ তৈরির সম্ভাব্য স্থান এবং জনসভায় আগত লক্ষ লক্ষ মানুষের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপকমিটিগুলোকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।পরিদর্শন শেষে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গণমাধ্যমকে বলেন:”তারেক রহমানের এই সফর কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি দক্ষিণবঙ্গের মানুষের প্রাণের দাবি। আমরা জনসভাস্থল পরিদর্শন করে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, যশোরের মাটি থেকে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন ইতিহাস গড়বো।”
জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল ইসলাম সাবু বলেন:”তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে যশোরের প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। আমরা একটি সুশৃঙ্খল এবং স্মরণকালের বৃহত্তম জনসভা উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।”এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুনীর আহম্মেদ সিদ্দিকি বাচ্চু, প্রবীণ বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান খান, আব্দুর রাজ্জাক এবং জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনছারুল হক রানাসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে যশোরের অলিগলি এখন ব্যানার, ফেস্টুন আর তোরণে ছেয়ে গেছে। দলীয় সূত্র জানায়, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের দল চূড়ান্ত প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে যশোর সফর করবেন। স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই জনসভা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনীতিতে বিএনপির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।