মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তৌফিক আলম, প্রোক্টর রাহাত হোসেন ফয়সাল, সাধারন শিক্ষকবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী গ্রামে নিজ বাড়িতে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা। শুভ বৈরাগী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বৌলতলী গ্রামের প্রয়াত বৈরাগী ও শেফালী বৈরাগী দম্পতির ছেলে। শৈশবেই বাবা-মাকে হারানো শুভ তার বোন ও ভগ্নিপতির আশ্রয়ে বেড়ে উঠেছিলেন।
মৃত্যুর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি তার এই চরম সিদ্ধান্তের পেছনে প্রেমিকার পরিবারের নির্যাতন ও সামাজিক অপমানকে দায়ী করে গেছেন। গত ১ জানুয়ারি শুভ লেখাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন। পরে আত্মহননের পথ বেছে নেন তিনি।
শুভর অকাল প্রয়াণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহপাঠীরা আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুল গেটের সামনে রাস্তা ব্লকেড করে শুভো বৈরাগী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন।
