স্টাফ রিপোর্টারঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনমনে স্বস্তি ফেরাতে বিশেষ নিরাপত্তা অভিযান শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দিনব্যাপী যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা এবং জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিশেষ তল্লাশি ও টহল তৎপরতা জোরদার করেছে।নিরাপত্তার কড়াকড়ি বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা দুষ্কৃতিকারী যাতে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে না পারে, সেজন্য যশোর ৪৯ বিজিবির পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল থেকেই যশোরের কৌশলগত বিভিন্ন পয়েন্টে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। এসব চেকপোস্টে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহন তল্লাশি করা হচ্ছে।

সীমান্তে বাড়তি নজরদারি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং অস্ত্র ও মাদকের চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিজিবির টহল বাড়ানোর পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি কয়েক গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে সীমান্ত পারাপারের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের বক্তব্য যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী এ প্রসঙ্গে জানান, “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং একটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হতে পারে, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। কোনো অপশক্তি যাতে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে ব্যাপারে আমাদের জওয়ানরা সদা সতর্ক রয়েছে।”তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে বিজিবির এই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিশেষ অভিযান নির্বাচনের দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।জনমনে স্বস্তি এদিকে বিজিবির এমন তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন যশোরের সাধারণ নাগরিকরা। সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা মনে করছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর এই কড়াকড়ির ফলে সীমান্ত অপরাধ কমার পাশাপাশি ভোটারদের মাঝে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।